পাঞ্জাবের এমসিএম পলিটেনিক কলেজের হোস্টেল থেকে মঙ্গলবার সকালে কম্পিউটার প্রকৌশলের ছাত্রী রাকশা শর্মার (২০) লাশ উদ্ধার করা হয়। হোস্টেল কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তার লাশ ঝুলে ছিলে বলে বৃহস্পতিবার এনডিটিভি জানায়।
তার কক্ষে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে যাতে লেখা হয়েছে, ফেইসবুকে বিব্রতকর মন্তব্যের জন্য আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি। উক্ত চিরকুট এ রাকশা লিখেছেন, ওই কলেজেরই সাবেক দুই ছাত্র তাকে হয়রানি এবং ফেইসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করায় তিনি এই পথ বেছে নেন।
ওই চিরকুটের ভিত্তিতে লুভপ্রিত সিং (২১) ও দীপক সাইনি (২১) নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লুভপ্রিত বলেছে, “গত তিন মাসে তার সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। সে আমাকে ভাইয়ের মতো দেখতো। আমি জানি না তার চিরকুটে কী কারণে আমার নাম এসেছে। তদন্তে সহযোগিতার জন্য আমি প্রস্তুত।”
অবশ্য ফেইসবুকে রাকশার সম্পর্কে কমেন্ট করার কথা স্বীকার করেছেন দীপক।
তিনি বলেন, ওই কমেন্ট দেখে রাকশাও প্রতিমন্তব্য করেছেন এবং তাতে তাকে ক্ষুব্ধ মনে হয়নি।
“সে আত্মহত্যা করায় আমার খারাপ লাগছে। তবে আমি এর জন্য দায়ী নই।”
১৯৯৭ সালে জম্মুতে জঙ্গি হামলায় বাবা-মাকে হারান রাকশা। এরপর থেকে জম্মুতে একটি এনজিও পরিচালিত এসওএস ভিলেজে বড় হন তিনি।
এসওএস ভিলেজ জম্মুর পরিচালক প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “আমরা প্রায়ই তার সঙ্গে কথা বলতাম এবং তার লেখাপড়ার খোঁজ-খবর নিতাম। এ তাকে হয়রানির বিষয়ে সে কখনো আমাদের কিছু বলেনি। আমরা শোকাহত।” 
No Comments